ভালোবাসা দিবস

প্রেমের স্রোত


বদর ‍যুদ্ধের সোচনীয় পরাজয়ের পর,

কাফির সম্প্রদায়

প্রতিশোধের নানান কৌশল খুঁজতে লাগলো।

বনি নাজির গোত্রের নেতা কা’ব ইবনে আশরাফ

মক্কায় গিয়ে

শোকগাথা আবৃত্তি করে

কাফিরদেরকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে  ক্ষেপিয়ে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা চালালো।

তার অন্যতম একটি কুটকৌশল হলো- 

যুবকদেরকে মুমিম মুসলমানদের স্ত্রী ও কণ্যাদের সাথে

প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর জন্যে অনুপ্রাণিত করতো।

রাসূল (স) উক্ত গরহিত কাজটি

এতটা অপছন্দ করেছেন যে,

তিঁনি তৃতীয় হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে

মুহাম্মদ ইবনে মাসলামা আনসারীকে পাঠিয়ে

কুট কৌশলী কা’ব ইবনে আশরাফকে হত্যা  করাতে বাধ্য হন।

(তথ্য সূত্রঃ ইবনে হিশাম)

আজ মুসলিম সমাজে

ভালোবাসা দিবসের নামে

লক্ষ তরুণ তরুনীর চরিত্র ধ্বংস করছে কুচকক্রী মহল।

এসব নষ্টামী আমরা হেলায় খেলায়

দেখেও না দেখার ভান করে আছি।

এভাবেই গৌরবদীপ্ত মুসলিম জাতির মেরুদন্ড

ভেঙ্গে দেয়া হচ্ছে।

আর বসে থাকার সময় নেই

আসুন আমরা সবাই নষ্ট প্রেমে না জড়াই

ভালোবাসা দিবসকে 

বেহায়াপনা দিবস

হিসেবে ঘোষণা করে

তা প্রত্যাখ্যান করি।


আমি নিদারুন কষ্ট পাই তখন

যখন দেখি

যারা সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম

প্রতিষ্ঠার শ্লোগান তোলে।

তারা, পছন্দের নামে, ভালোলাগার নামে

বছরের পর বছর প্রেমের সম্পর্ক্যে

আটকিয়ে থাকে।


ঘৃণার উদ্ধেগ হয় তখন

যখন ইসলাম প্রিয় সামাজিক ব্যক্তিবর্গ

আশ্বিনা কুরের ন্যায় আটকিয়ে পড়া

যুবক যুবতিদেরকে

ধুমধাম আয়োজন করে বিয়ে দেয়!


এসকল ইসলাম প্রিয় সামাজিক ব্যক্তিবর্গ,

কুখ্যাত কা’ব ইবনে আশরাফ এর চেয়েও বেশি ঘৃণা পাওয়ার যোগ্য

কারণ,  কা’ব স্বঘোষিত কাফির ছিলো।

সে ইসলামের বিরুদ্ধে যে কোন কৌশল করতে পারে।

এ কৌশলটি, তার গোত্রের লোকদেরকে

হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য,

শত্রুদের (মুসলমানদের) পরাভুত করতে সুন্দর একটি কৌশল!


কিন্তু যে সকল মুসলমান,

মুসলমান দাবি করে!

আবার  অবৈধ প্রেমকে

সমাজে কায়েম বা প্রতিষ্টা করার জন্য

নানান অযুহাতে সহযোগীতা করে

তাদের প্রতি শত ধিক্বার।


হ্যাঁ। হবেইতো বিয়ে

প্রেম যাদের  অবৈধভাবে।

তবে কেন ধুমধাম ইসলামের নামে?

(ব্যভীচারী কেবল ব্যভীচারীনী বা মুশরিক নারীকে ছাড়া বিয়ে করবে না।- সূরা নূর- আয়াতঃ24)

আকতার হোসেন

13/02/2023

11ঃ27







Comments

Post a Comment